
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে রাশিয়া সম্মত। তবে যেকোনো যুদ্ধবিরতিতে সংঘাতের মূল কারণগুলোর সুরাহা করতে হবে। এ ছাড়া অনেক বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করতে হবে।

যুদ্ধবিরতিতে ইউক্রেনের রাজি হওয়ার পর বুধবার (১২ মার্চ) মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার পর সিদ্ধান্ত জানাবে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হয়েছে ইউক্রেন। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সংলাপ শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে কিয়েভের এই সম্মতির কথা জানানো হয়েছে।

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সৌদি আরবের জেদ্দায় বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের চিফ অব স্টাফ অংশ নিচ্ছেন।

ইউক্রেন সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সৌদি আরবে রাশিয়া-ইউক্রেন নিয়ে আলোচনায় বসার আগে এ কথা বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যকার শীর্ষ বৈঠকের স্থান হতে পারে সৌদি আরব কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই আলোচনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রাশিয়ার দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন প্রথমবারের মতো রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা করেছে। মঙ্গলবার এই হামলা হয়েছে বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পারমাণবিক শক্তিধর কোনো দেশের সমর্থন নিয়ে রাশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হলে পাল্টা জবাবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে মস্কো। রাশিয়ার পরমাণুনীতি হালনাগাদ করে এমন সুযোগ রাখা হয়েছে।